পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রতি সময়ে ঘটে যাওয়া পাহাড়ি বাঙালীর সাম্প্রদায়িক সংঘাতের ঘটনায় পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈষম্যহীন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে তোলার লক্ষে খাগড়াছড়ির পৌর এলাকার ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডে বাঙালি ও পাহাড়িদের নিয়ে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ( ১২ অক্টোবর) দুপুরে দিকে মারমা উন্নয়ন সংসদ,পানখাইয়াপাড়া কমিউনিটি সেন্টারে সমাবেশের আয়োজন করেন বসবাসরত স্হানীয়রা।
এসময় বক্তব্য রাখেন,খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন মজুমদার, মারমা ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা ম্রাচাথোয়াই চৌধুরী, এ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন।
বক্তরা বলেন,পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়িদের মাঝে যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চায় উভয় সম্প্রদায়ের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে তাদের চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে একমত পোষণ করেন। সকলকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজ হাতে আইন তুলে না নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। সকলেই শান্তিপ্রিয় ভাবে বসবাস করবে মর্মে একমত পোষন করা হয়।
সম্প্রীতি সমাবেশে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, বাঙালি, ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন। সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি রক্ষায় বাঙ্গালী ও পাহাড়িদের সমন্বয়ে ৭৮ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটিগঠন করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান ও পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল জানান, পর্যায়ক্রমে জেলার নয়টি উপজেলায় এ ধরনের কমিটি গঠন করা হবে।
সমাবেশে স্কুল শিক্ষক নজরুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক মজুমদার, আমির খান, মো. মমিনুল ইসলাম, মো. আব্দুল মান্নান, অরুন কান্তি চাকমা, সুখময় চাকমা, মংনু মারমা ও কনক ত্রিপুরাসহ পাহাড়ি-বাঙালির অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একুশে সংবাদ/ এস কে
আপনার মতামত লিখুন :