চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় এবার একটি কুকুরকে মারধরে বাঁধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।
বুধবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ দফায় দফায় বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুনরায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ঘটনায় দুই গ্রামের প্রায় ৩০ জন আহত হয়। আহতদের হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শাহরাস্তি উপজেলার ধোপল্লা গ্রামের তালুকদার বাড়ীর ও রহিম মেম্বারের বাড়ির লোকজন ও এনায়েতপুর গ্রামের মাঝে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
বৃহস্পতিবার ধোপল্লা থেকে আসা একদল এনায়েতপুর গ্রামের মানছুররার বাড়িতে হামলা চালায়। সংঘর্ষের ঘটনার জেরে তার বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
কুমিল্লা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন ধোপল্লার আহত অহিদ ও আলামানি। ওপরদিকে এনায়েতপুরের কয়েকজন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। আহতের বেশিরভাগ রক্তাক্ত বলে জানান চিকিৎসকেরা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুর চাকমা বলেন, হাজীগঞ্জের মারামারির ঘটনাগুলোতে কেউ অভিযোগ দিচ্ছে না। এনায়েতপুর ও ধোপল্লা দুই উপজেলার সীমানাবর্তী গ্রাম। দুই থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
এর আগে বুধবার বিকালে ধোপল্লা বাজারের রাজনের চায়ের দোকানের সামনে একটি কুকুর বসা ছিল। ওই কুকুরকে ধোপল্লার ছেলে মারধর করে। এতে এনায়েতপুরের একটি ছেলে বাঁধা দেয়। প্রথমে উভয়ের মধ্যে মারামারি হয়। এরপর এনায়েতপুর থেকে একদল যুবক ও কিশোর ধোপল্লা বাজারে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, ঈদের পর দিন থেকে হাজীগঞ্জ উপজেলার রান্ধুনীমুড়ায় সিগারেট নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ও রামপুর বাজারে যানজট নিয়ে চারগ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে রক্তাক্ত জখম হয় প্রায় ৩০ জন।
একুশে সংবাদ/এনএস
আপনার মতামত লিখুন :