দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে কমপক্ষে ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছে।একাধিক দাবানল জ্বলছে এবং ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বুধবার দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট এ তথ্য জানিয়েছেন।দক্ষিণ কোরিয়ার উইসং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
সপ্তাহান্তে এক ডজনেরও বেশি বিভিন্ন ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গ্রামগুলো পুড়ে যাওয়ায় এবং একটি ঐতিহাসিক মন্দির পুড়ে যাওয়ায় রাতারাতি মৃতের সংখ্যা বেড়ে গেছে। হাজার হাজার লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।সরকার সংকট মোকাবিলা করার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় সাড়াদান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, ’দাবানলে আঠারো জন মারা গেছেন এবং ছয়জন গুরুতর আহত এবং ১৩ জন সামান্য আহত হয়েছেন।’শুষ্ক, বাতাসের কারণে দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে।মঙ্গলবার, কর্তৃপক্ষ ইউনেস্কো তালিকাভুক্ত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান, পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হাহো ফোক ভিলেজ দাবানলের কারণে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু বলেছেন, উলসান এবং গিয়ংসাং অঞ্চলে টানা পঞ্চম দিনের জন্য দাবানল ব্যাপক ক্ষতি করছে।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে কর্তৃপক্ষ জরুরি স্থানান্তর শুরু করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হতাহতের ঘটনা রোধ করা যায়নি। হান বলেন, হাজার হাজার অগ্নিনির্বাপক কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু গতকাল বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতি সেকেন্ডে ২৫ মিটার বেগে তীব্র বাতাস বয়ে গেছে। যার ফলে হেলিকপ্টার এবং ড্রোন অভিযান স্থগিত করতে হয়েছে।
হান বলেন, আরো বেশি লোককে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে এবং সরকার দাবানলে বাস্তুচ্যুতদের জরুরি ত্রাণ এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য কাজ করছে।
একুশে সংবাদ/ এস কে
আপনার মতামত লিখুন :