AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩০

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে প্রস্তুত


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
১১:৪৬ এএম, ৫ এপ্রিল, ২০২৫
চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে প্রস্তুত

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, চীন সবসময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। সম্প্রতি চীন সফরের সময় বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেন সিএমজি বাংলা বিভাগের পরিচালক ইউ কুয়াং ইউয়ে আনন্দী।

ড. ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশের বড়রকমের সংস্কার দরকার।’ তিনি বলেন, ‘চীন সরকার, ব্যবসায়ী ও জনগণ সবার কাছ থেকে বড়ধরনের সমর্থন পাওয়া গেছে। এই সমর্থন খুবই দরকারি। এটা আনন্দেরও।’ সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক চীন সফর সুন্দর ও সফল হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

প্রায় এক দশক আগে চীন সফরে এসে দেশটির গ্রামাঞ্চলের নারীদের দরিদ্রতা দেখেছিলেন ইউনূস। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর সব জায়গায় দারিদ্র্যের চেহারা একই রকম। এটি জয়ের সমাধান হলো- মানুষের সৃজনশীলতাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা করা।’

ড. ইউনূস বলেন, ‘যার কাজ সে করবে, সমাজ তাকে সহযোগিতা করবে, যেন সে এগিয়ে যেতে পারে।’ ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই অর্থ তাদের কাছে একটা শক্তি, এই শক্তি ব্যবহার করে জীবন বদলে ফেলা সম্ভব।’

নিজের তিন শূন্য তত্ত্ব ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নতুন শৈলীর আধুনিকায়ন তত্ত্বের মিল প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, ‘বিষয়গুলো একই। অনেক সামঞ্জস্য রয়েছে, যা আমরা বিভিন্ন ভাবে বলার চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও বলেন, নতুন এক পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে। পুরনো পৃথিবীকে যতই টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হোক না কেন, এই পরিশ্রম সফল হবে না। বরং সুন্দন নতুন এক পৃথিবীর জন্য যে কাঠামো ও তত্ত্ব প্রয়োজন তার আলোকে নতুন চিন্তার কাঠামো গড়ে নতুন এক পৃথিবী গড়ে তোলা উচত।’

চীন-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে করা এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে সফল আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সমর্থন দরকার। চীন তাতে আগ্রহী এবং প্রেসিডেন্ট শি চেষ্টা করবেন তা বাংলাদেশকে যথাসময়ে পৌঁছে দিতে।’

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতি ও বাণিজ্যে অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সবার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, চীনা বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আসবে, নতুন করে কী করা যায় তা পর্যবেক্ষণ করবেন।’ ড. ইউনূস আরও বলেন, ‘চীনে আমরা অনেক বন্ধু পেয়েছি। নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এই বন্ধুত্ব কাজে লাগাব।’

দু’দেশের সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার চেষ্টা করবে কীভাবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও গভীর ও ঘনিষ্ট করা যায়।

তিনি জানান, এবারের সফরের উদ্দেশ্য ছিল সম্পর্ক আরও মজবুত করা। সেজন্য রাষ্ট্রপ্রধান ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতাদের সঙ্গেও তার বৈঠক হয়েছে। চীন যেকোনও পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে সমর্থন করতে চায় বলে জানান অধ্যাপক ইউনূস।

এই সাক্ষাৎকারের সময় ড. ইউনূসের সঙ্গে ছিলেন চাইনিজ একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক দু। তিনি চীনের গ্রামীণ নারীদের জীবনমানের উন্নয়নে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন।

 

একুশে সংবাদ/স.ব/এনএস

Link copied!