বিভিন্ন কর্মসুচির মধ্য দিয়ে মাগুরার শ্রীপুরে নারী নির্যাতন পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসুচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য র্যালী,আলোচনাসভা ও জয়িতাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান। শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় ও জাতীয় মহিলা সংস্থা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
আজ সোমবার সকালে শ্রীপুর কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভায় মিলিত হয়।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আশরাফ হোসেন পল্টু’র সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ চন্দ্র মন্ডল।
অন্যদের মধ্যে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা শিকদার মঞ্জুর আলম,সাবেক উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যার ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মোল্লা মিজানুর রহমান,জাতীয় মহিলা সংস্থার উপজেলা সংগঠক হুমায়ুন বিশ্বাস,কিশোর-কিশোরী ক্লাবের শিক্ষক বিউটি রানী ও নির্বাচিত ৫’জন জয়িতাদের মধ্য থেকে শীলা রানী বিশ্বাস, সাবিনা ইয়াসমিন ও তানজিরা সালমাসহ আরোও অনেকে। আলোচনাসভা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সুমাইয়া আক্তার সুমি, মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন, তানজিরা সালমা, শীলা বিশ্বাস ও রোজিফা খাতুন কাকনকে জয়িতা সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয় ।
এবিষয়ে অনুষ্ঠানের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী বলেন,বেগম রোকেয়া নারী মুক্তি, ও জাগরণের অবিস্মরণীয় এক ঐতিহাসিক নাম। তিনি নারী মুক্তি ও নারী কল্যাণের অন্যতম উদ্যোক্তা। মুসলমান নারী সমাজকে সর্বপ্রথম তিনিই একমাত্র মুক্তিমন্ত্রে উজ্জীবিত করেছেন। বাংলার মুসলমান নারী সমাজকে আলোর দিশা দেখিয়েছেন এই মহীয়সী নারী। পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থায় একটা শিশু জন্মলগ্নের শুরু থেকেই যে লিঙ্গ বৈষম্যেও শিকার হয় তা থেকে উত্তোরন ও মুক্তির পথ দেখিয়েছেন নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া।
একুশে সংবাদ/আ.য
আপনার মতামত লিখুন :