নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার অর্জুনচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রোহান।বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানী আর ছোট বোনকে নিয়ে উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে তাদের বসবাস।
১১ বছরের ছোট্ট রোহান তার মামাত ভাই আনিমের সাথে বাজার করে মোটরসাইকেল দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। পথে বাসের সাথে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হয় দুজন। চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
শুক্রবার রাত প্রায় দশটার দিকে রোহানের মৃত্যু হয়। রোহান চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের অর্জুনচর গ্রামের সোহেল মিয়ার ছেল।
স্বনরা জানায়, শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পরে মনোহরদী উপজেলার চালাকচর বাজার থেকে বাজার করে মামাত ভাই তানিমের সাথে মোটরসাইকেল দিয়ে বাড়িতে আসতেছিল। হেতেমদি-সাগরদি বাইপাস রোডের চন্দবাড়ি এলাকার কাছাকাছি আসার পর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী যাত্রীবাহী বাসের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং তানিম ও রোহান গুরুতর আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। আহত দুজনের অবস্থা গুরুতর থাকায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় রোহানের মৃত্যু হয়।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল হোসেন জানান, আহত দুই জনের মধ্যে এক জন নিহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাস থানায় নিয়ে আসে। চালক এবং হেল্পার ঘটনার পরেই পালিয়ে যায়।
একুশে সংবাদ/ এস কে
আপনার মতামত লিখুন :