সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা করেনা বড় শিমুলপঞ্চসোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী মোঃ আলামিন। গত রবিবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত্রে দপ্তরী কাম প্রহরী মোঃ আলামিন এর সহযোগিতায় রাত ৪ ঘটিকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় কক্ষে পিটানো হয় চোর সন্দেহে মো: রফিক নামের এক যুবকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোঃ আলামিন বলেন, সোনাউল্লা আমার আত্মীয় তিনি আমার কাছ থেকে রাত চারটায় চাবি নিয়েছে আমি প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছি সেই কক্ষে কি করেছে সেটা আমি জানিনা। আমাকে তিনি বলেন যে স্কুলটি খুলে দিতে হবে । পরে আমি স্কুল খুলে দিই। কিন্তু প্রমান চাইলে তিনি তা দিতে পারেন নাই।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোছা : তসলিমা বলেন প্রতিষ্ঠানে কি হচ্ছে এখন পর্যন্ত আমি জানিনা। আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম। আসলে প্রতিষ্ঠানে রাত্রে কোন প্রকারের বহিরাগত লোক প্রবেশ করা নিষেধ রয়েছে এবং আইনত অবৈধ।
ভুক্তভোগী মো: রফিক বলেন, আমি চোর না। আমাকে রাত তিনটায় আমার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বড় শিমুল পঞ্চ সোনা বিদ্যালয় নিয়ে গিয়ে মারধর করে এবং বলে যে তুমি বলবা আমি চুরি করেছি। তখন তারা ভিডিও সাক্ষাৎকার নেয় ভিডিও সাক্ষাৎকার নেওয়ার পরে সকাল দশটার দিকে আমাকে আমার মুরুব্বীদের কাছে তুলে দেয়। তখন উপস্থিত জনতা আমাকে আবার বেধড়ক মারধর করে। আমি বিচার চাই আমাকে কেন এভাবে মারধর করলো এবং চোর অপবাদ দিল?
ঘটনা সূত্রে জানা যায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সায়দাবাদ ইউনিয়ন বড় শিমুল পঞ্চসোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় রবিবার রাত ৪টা দিকে সেহরির আগে চোর সন্দেহে এক যুবককে স্কুল কক্ষে ঢুকানো হয়েছে। ভোর রাতে চোর সন্দেহে ব্যক্তিকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে রবিবার সকাল দশটায় জনগণের হাতে তুলে দেয় গ্রামের কতিপয় কয়েকজন লোক। পরে জনগণের হাতে তুলে দেয়।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে আমি জানলাম, অভিযোগ উত্থাপিত হইলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রচলিত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি মোঃ হুমায়ূন কবির বলেন, আমি এবিষয়ে কিছু জানি না, এ সম্পর্কে আমি কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একুশে সংবাদ/বিএইচ
আপনার মতামত লিখুন :