মামলার দুই দিন পর র্যাবের হাতে আটক হয়েছেন কোটচাঁদপুরের সেই বিষ দিয়ে শিশু হত্যাকারী সৎ মা বন্যা খাতুন (২২)। শনিবার (৮মার্চ) রাতে মহেশপুরের ফুবু বাড়ি থেকে আটক করে কোটচাঁদপুর থানায় সোপর্দ্য করেছে র্যাব আজ রবিবার তাকে আদালতে পাঠিয়েছেন থানা পুলিশ।
কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা অপু কুমার বিশ্বাস বলেন,মামলার পর থেকে বন্যাকে ধরতে অভিযান চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব মহেশপুরের শিশুতলা গ্রামে অভিযান চালান। এরপর তাঁর ফুবু বাড়ি থেকে তাকে আটক করেন। পরে বন্যাকে কোটচাঁদপুর থানায় হস্তান্তর করেন র্যাব।
তিনি বলেন,তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বলা সম্ভব না। তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে। বন্যা খাতুন কোটচাঁদপুরের ভোমরাডাঙ্গা গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন,ঘটনার পর শিশুটির পিতা বাদি হয়ে কোটচাঁদপুর থানায একটা হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপেক্ষিতে র্যাব শনিবার রাতে মহেশপুরের শিশু তলা তাঁর আত্মীযের বাসা আটক করে থানায় দিয়ে গেছেন। আমরা তাকে আদালতে পাঠিয়েছি।
বাদির অভিযোগে জানা যায়,গেল ১ মার্চ বিকেলে বন্যা খাতুন কৌশলে বিষ খাওয়ান শিশু মাহমুদাকে। এরপর মাহমুদাকে প্রথমে কোটচাঁদপুর,এরপর যশোর হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা করিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে আসার পর মাহমুদা আবারও গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। ওই সময় তাকে চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান তাঁর পিতা শাহিন আলম। পরে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ওই ঘটনায় মাহমুদার পিতা বাদি হয়ে গেল ৭ মার্চ বিকেলে স্ত্রী বন্যার নামে হত্যা মামলা করেন।
সে থেকে তাঁকে ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যহত রেখেছিল। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে র্যাব তাকে আটক করেন। রবিবার সকালে বন্যাকে আদালতে পাঠিয়েছেন থানা পুলিশ।
একুশে সংবাদ/বিএইচ
আপনার মতামত লিখুন :