বগুড়ার কাহালুর কালাই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল গফুর শাহের গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি হওয়া ১৩টি গরু। শনিবার (২২ মার্চ) রাত আড়াইটার দিকে কাহালু থানা পুলিশের সহযোগিতায় নওগাঁ ডিবি পুলিশ ও আত্রাই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চোরাই গরুগুলো উদ্ধার করা হয় ।
এ ঘটনায় আব্দুল গফুর শাহ পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গফুর শাহ কাহালু উপজেলার পিলকুঞ্জ গ্রামে আবুল হোসেন সাহের ছেলে । এ ঘটনায় ছোটন প্রামাণিক (২৭) নামের এক চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সুপার সাফিউল সারোয়ার বলেন, আত্রাই ও রাণীনগর উপজেলায় বেশ কয়েকটি এলাকায় অনেক গরু চুরি হয়েছে। গরু চোর আটক করতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। গত ১৪ মার্চ রাতে আত্রাই উপজেলার নৈদিঘী গ্রামের মোরশেদ আলী শেখের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে আটটি গরু চুরি হয়। এ ঘটনায় পরদিন তিনি থানায় মামলা করেন। এই চুরির ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শনিবার (২২ মার্চ) রাতে উপজেলার মনিয়ারি ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামের মৃত রওশন আলীর ছেলে গরু চোর হিসেবে পরিচিত ছোটন প্রামানিককে (২৭) আত্রাই থানা পুলিশ আটক করে। ছোটনের দেওয়া স্বীকারোক্তি মতে বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার পিলকুঞ্জ গ্রামে আব্দুল গফুর শাহ এর বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আব্দুল গফুর শাহের গোয়ালঘর থেকে ১৩টি গরু উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে গফুর শাহ পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এই চক্রের সাথ জড়িত অন্য সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, বিএনপি নেতা গফুরের বাড়ি থেকে চোরাই গরুগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। আব্দুল গফুর এখনো পলাতক। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহাবুদ্দিন জানান, গরু উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি উপজেলা থেকে হারানো গরুর মালিকরা থানায় এসে ভীর করছেন। সেইসাথে উপজেলার গরু ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি বিরাজ করতে দেখা যায়। গ্রেপ্তারকৃত ছোটন প্রামাণিককে রবিরার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
একুশে সংবাদ/বিএইচ
আপনার মতামত লিখুন :