AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ১৪ চৈত্র ১৪৩০

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

কমেছে ভোজ্যতেলের সংকট, ঊর্ধ্বমুখী চাল-মুরগি-সবজির বাজার


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৩:৪৪ পিএম, ২১ মার্চ, ২০২৫
কমেছে ভোজ্যতেলের সংকট, ঊর্ধ্বমুখী চাল-মুরগি-সবজির বাজার

রমজানের দুই-তৃতীয়াংশ শেষ, ঈদের প্রস্তুতি শুরু হতে চলেছে। এরই মধ্যে বাজারে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন ধরনের মুরগির দাম। চালের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে মুদিপণ্যের বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। সবজির দামেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পরিদর্শনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

পুরো রমজানে দফায় দফায় বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের চালের দাম। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে মিনিকেটের। কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা। অন্যান্য চালেও কেজিতে ৪ থকে ৫ টাকা বেশি গুণতে হচ্ছে ক্রেতাদের। প্রতি কেজি মিনিকেটের জন্য গুণতে হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। ভাল মানের নাজির শাইল ৮৫ থেকে ৯০ আর মাঝারি মানের চালের জন্য দিতে হবে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা। সবচেয়ে কম দামী এক কেজি মোটা চালে জন্যও পকেট থেকে বেরিয়ে যাবে ৫৫ টাকার বেশি।

গত সপ্তাহের মত অনেকটা চড়া দামেই অপরিবর্তিত আছে মাছের বাজার। সাড়ে ৪শ’ টাকা কেজির নীচে মিলছে না বড় আকারের চাষের রুই-কাতলা। এক হাজার থেকে ১২শ’ টাকা কেজির নীচে মিলছে না চিংড়ি। মাঝারি আকারের প্রতি কেজি আইড়, বোয়ালের জন্য দিতে হবে ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা।

গত সপ্তাহে কিছুটা কমে এলেও, আবারো উত্তাপ ছড়াচ্ছে পোল্ট্রি বাজার। মাত্র দুুদিনের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মিলছে ২১০-২২০ টাকা কেজিতে। এ ছাড়া দেশি মুরগি ৬৫০-৬৮০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৮০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। আর জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। মুরগির দাম বাড়লেও বাজারে স্থিতিশীল রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রায় দু’তিন মাস স্বস্তির হাওয়া ছিলো সবজি বাজারে। তবে এর রেশ কাটতে শুরু করেছে। একদিকে শীতকালীন সবজির যোগান কমেছে, অন্যদিকে গ্রীষ্মকালীন সবজি পুরোদমে বাজারে আসেনি। ফলস্বরূপ যোগান কমেছে। তাই দাম বাড়তে শুরু করেছে এমন যুক্তি বিক্রেতাদের।

ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর দামেও কাটেনি অস্বস্তি। রোজার শুরুর দিকে আকারভেদে এক হালি লেবু ৫০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। পরে সেই দাম কিছুটা কমে ৪০-৭০ টাকা হয়। বেগুন ও শসারও একই অবস্থা। বর্তমানে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-১০০ টাকা ও হাইব্রিড শসা ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি টমেটো ২০-২৫ টাকা ও কাঁচা মরিচ ৫০-৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আলু ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি আলু ২০-২৫ টাকা ও দেশি পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

একুশে সংবাদ/য.ট/এনএস

Link copied!