সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেকোথাও কোনো আনসার সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়নি। এতে হাসপাতালে দেখা দিয়েছে নিরাপত্তা সংকট।
রোববার রাতে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আনসার সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। এর পর থেকে ঢাকা মেডিকেলের কোথাও নেই আনসার সদস্যরা। সাধারণত আনসার সদস্যরাই এই হাসপাতালটির নিরাপত্তা দিয়ে থাকেন।
ঢাকা মেডিকেলের প্রশাসনিক ভবন, বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ, শিশু বিভাগ এবং নতুন ভবনের কোথাও কোনো আনসার সদস্যদের উপস্থিতি নেই। ফলে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বেড়েছে মোবাইল চুরিসহ নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা।
রোগীর স্বজনরা বলেন, ‘দুপুরের দিকে রোগীর সিটের পাশে মোবাইলটি রেখে গ্লাসে পানি ঢালছিলাম। চোখের পলক ফেলতেই দেখি মোবাইলটি নেই। আমার রোগীর খোঁজখবর পৌঁছানোর জন্য স্বজনদের কাছে একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম ছিল এটি। এখন এটিও হারালাম।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মিজানুর রহমানকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।
হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোঃ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার পুলিশ ক্যাম্পের মাত্র ১০ জন সদস্য নিয়ে এই বিশাল হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এটি আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আমার এই স্বল্পপরিসর পুলিশ সদস্যদের সাথে সমন্বয়কারী শিক্ষার্থীরাও হাসপাতালে নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে সহযোগিতা করছেন।’
একুশে সংবাদ/বিএইচ
আপনার মতামত লিখুন :