সিরিয়ার বিদ্রোহী বাহিনী বলেছে, তারা ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পরিচালিত কুখ্যাত কারাগারগুলো বন্ধ করে দেবে। একই সঙ্গে বন্দীদের হত্যা বা নির্যাতনের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে তারা।
সিরিয়ায় আসাদ সরকার পতনের পর সায়দনায়া কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন হাজার হাজার বন্দি। অধিকার গোষ্ঠীগুলো নির্যাতনের উদ্দেশে তৈরি সিরিয়ার কারাগারগুলোকে "মানব কসাইখানা" হিসাবে উল্লেখ করেছে। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মনিটরিং গ্রুপ সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, আসাদ পরিচালিত কারাগারে প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়েছে।
বিদ্রোহী নেতা আল-জোলানি এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি সাবেক সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীকে ভেঙে দেবেন। পৃথক এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন,যারা বন্দীদের নির্যাতন বা হত্যায় অংশ নিয়েছিল তাদের ক্ষমা করার প্রশ্নই নেই। আমরা পালিয়ে যাওয়াদের আশ্রয় দেয়া দেশগুলোকে বলবো, যারা পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে তাদের হস্তান্তর করুন, যাতে আমরা ন্যায়বিচার পেতে পারি।
এদিকে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে সিরিয়ানরা কুখ্যাত কারাগারে ছুটে এসে তাদের প্রিয়জনকে খুঁজছেন। ২০২২ সালের একটি প্রতিবেদনে, তুরস্ক-ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন অফ ডিটেনিস অ্যান্ড দ্য মিসিং ইন সাইদনায়া প্রিজন (এডিএমএসপি) বলেছে যে ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সায়দনায়া "কার্যকরভাবে একটি মৃত্যু শিবিরে পরিণত হয়েছে"।
এদিকে সিরিয়া ও ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার বার্লিনে বৈঠকে বসছেন ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। একদিন পরে জি ৭ দেশগুলোর নেতারা ভার্চুয়াল বৈঠকে সিরিয়ার সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
একুশে সংবাদ/ এস কে
আপনার মতামত লিখুন :