AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩০

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ইসরায়েলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি হুতিদের


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৬:৪৪ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
ইসরায়েলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি হুতিদের

ইয়েমেনের হুতিরা দাবি করেছে যে তারা দখলদার ইসরায়েলে সফলভাবে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) হুতি বিদ্রোহীদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে এ দাবি করেন। টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তৃতায় সশস্ত্র এ গোষ্ঠীটির সামরিক শাখার এ মুখপাত্র জানান, ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ‘ফিলিস্তিন ২’।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের ‘হত্যাযজ্ঞের’ প্রতিক্রিয়ায় এ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। গাজায় যুদ্ধ বন্ধ না করা পর্যন্ত ইসরায়েলকে লক্ষ্য এ ধরনের হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে হুতিরা। এদিকে এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা গতকাল ৪৫ হাজার অতিক্রম করেছে।

তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইয়েমেনের ভূখণ্ড থেকে উৎক্ষেপণ করা একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে প্রবেশের আগেই আটকে দেওয়া হয়েছে। একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘ইন্টারসেপশনের পর ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ার আশঙ্কায় এ সংক্রান্ত সতর্কতাও সক্রিয় করা হয়েছিল।’

ইসরায়েলি মিডিয়া জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে নিক্ষেপ করা হুতিদের এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলের বৃহত্তম শহর তেল আবিবজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে।

এর আগে চলতি বছরের মার্চে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছিল ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহীগোষ্ঠী হুতি। সেসময় গোষ্ঠীটি জানিয়েছিল, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৮০০ কিলোমিটার গতিতে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি কঠিন-জ্বালানিচালিত।

প্রসঙ্গত, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রতিবাদে গত বছরের নভেম্বর থেকে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে পশ্চিমা বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে হুতিরা। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সেসময় থেকে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের বাব আল মান্দাব এলাকায় চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে গোষ্ঠীটি।

প্রথম পর্যায়ে কেবল ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত জাহাজগুলোতেই আক্রমণ চালানো হচ্ছিল। কিন্তু ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ বাহিনী হুতিদের লক্ষ্য করে বিমান অভিযান শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের পাশাপাশি এই দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতেও হামলা চালানো শুরু করে হুতিরা।

অবশ্য গত সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল হুতিরা। সেসময় ইসরায়েলে আঘাত হানার আগে ক্ষেপণাস্ত্রটি ২ হাজার ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয় এবং ইয়েমেন থেকে দখলদার ইসরায়েলে পৌঁছাতে ক্ষেপণাস্ত্রটির সময় লেগেছিল মাত্র সাড়ে ১১ মিনিট।

এই ক্ষেপণাস্ত্র আসার খবরে সেসময় ইসরায়েলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় ২০ লাখ ইসরায়েলি বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেন। দখলদার ইসরায়েলের এত মানুষ এর আগে কখনও একসঙ্গে আশ্রয় কেন্দ্রে যাননি।সেই ঘটনার তিন মাস পর আবারও ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল হুতি বাহিনী।


সূত্র: আল-জাজিরা

একুশে সংবাদ/ এস কে

Link copied!