AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩০

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

যশোরের ৪ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
১২:১১ পিএম, ২৫ জুন, ২০২৩
যশোরের ৪ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধী আমজাদ হোসেন মোল্লা, ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমজাদ হোসেন মোল্লাসহ যশোরের বাঘারপাড়ার চার রাজাকারকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

 

রোববার (২৫ জুন) বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি আমজাদ হোসেন মোল্লা এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিন আসামি পলাতক।

 

পলাতক আসামিরা হলেন- ওহাব মোল্লা, মাহতাব বিশ্বাস ও ফসিয়ার রহমান মোল্লা।

 

এর আগে, চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১১ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এরপর ২১ জুন রায়ের জন্য আজকের দিন ঠিক করা হয়।

 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, মো. সাহিদুর রহমান ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।

 

২০১৮ সালে ১৬ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মামলায় পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। আসামিরা হলেন, মো. আমজাদ হোসেন মোল্লা, মো. ওহাব মোল্লা, মো. মাহতাব বিশ্বাস, মো. ফসিয়ার রহমান মোল্লা ও মো. নওশের বিশ্বাস।

 

এদের মধ্যে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার থাকা আমজাদ হোসেন মোল্লাকে ২০১৭ সালের ২২ মে হাজিরের পর থেকে এ মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

 

আর বাকি চারজন ছিলেন পলাতক। এর মধ্যে আবার নওশের বিশ্বাস মারা যান। ফলে এখন আসামি চার জন।

 

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে আটক, নির্যাতন, হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। আমজাদ মোল্লা যশোর বাঘারপাড়া থানার রাজাকার কমান্ডার ছিলেন।

 

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালে মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন আমজাদ। তবে বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন।

 

২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল শেষ হয়।

 

যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানাধীন উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী মো. ময়েনউদ্দিন ওরফে ময়না এবং মো. আয়েনউদ্দিন ওরফে আয়েনকে অপহরণ করে হত্যা, একই গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা প্রদানকারী ডা. নওফেল উদ্দিন বিশ্বাসকে হত্যা, গাইদঘাট গ্রামের সুরত আলী বিশ্বাস ও মোক্তার বিশ্বাসকে অপহরণ করে হত্যা এবং মাগুরা জেলার শালিখা থানার সীমাখালীর চিত্রা নদীর খেয়াঘাটের মাঝি রজব আলী বিশ্বাসকে আটক করে হত্যা করার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

 

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোরের বাঘারপাড়ার চাঁদপুর গ্রামের ডা. নওফেল উদ্দিন বিশ্বাস, ময়েনউদ্দিন ও আয়েনউদ্দিন আয়নাকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়। একই সময়ে খুনের শিকার হন মাগুরার শালিখা থানার সীমাখালী বাজার ঘাটের মাঝি রজব আলী বিশ্বাসও।

 

এ ছাড়া নির্যাতন, আটকসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ এনে ওই চারজনের নামে মামলা করা হয়। ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল শেষ হয়। মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ আট সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।

 

একুশে সংবাদ/স/এসএপি

Link copied!