প্রধান বিচারপতির ১৯ নম্বর হেয়ার রোডের বাসভবন সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে প্রত্মতত্ত্ব অধিদফতর কাজ শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
২৫ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রত্মতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ঐতিহাসিক এই স্থাপনার গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
প্রত্মতত্ত্ব অধিদফতর ৬ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে নির্দেশনা পায়। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য যে আবাসিক ভবনগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১৯ হেয়ার রোডের বাসভবন অন্যতম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে কিছু ক্ষতি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর মধ্যে এই স্থাপনাটির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
পুরাকীর্তি আইন-১৯৬৮ অনুযায়ী, বাসভবনটির মালিকানা ও ব্যবহার স্বত্ব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কাছে থাকবে। এর মাধ্যমে এটি জনমানসে জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম এই স্থাপনার ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হবে।
একুশে সংবাদ/স.ট/এনএস
আপনার মতামত লিখুন :