জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা গ্রহণকারী পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে সার্ভারের তথ্য পাচারের প্রমাণ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এই তথ্য জানান কমিশন সচিব মো. আখতার আহমেদ।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাচারের অভিযোগ রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে, যেগুলো হলো: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইব্যাস, ইউসিবি ব্যাংক, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর।
আখতার আহমেদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এ পাচার ইচ্ছাকৃত কিনা তার প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮২টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগ থেকে কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাইয়ের সেবা নেয় বলে জানিয়েছেন এই ইসি সচিব।
এর আগে, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল থেকে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় হয়। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি দায় এড়ালেও যাচাই-বাছাই করে কমিশন। পরে গত ২০ ডিসেম্বর কম্পিউটার কাউন্সিলের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।
একুশে সংবাদ/ই.ট/এনএস
আপনার মতামত লিখুন :