বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করেছে ভারত। তবে দুই দলের কারও বিরুদ্ধেই সে ভাবে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি ভারতকে। নিউজিল্যান্ড শক্তিশালী দল। নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও কোনও রকম গা-ছাড়া মনোভাব নিয়ে খেলতে চাইছে না ভারত। বুধবার রাতের অনুশীলনে সেটাই দেখা গিয়েছে। কিউয়ি স্পিনারদের সামলাতে কঠিন মহড়া নিয়েছেন বিরাট কোহলিরা।
বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন এবং মেহেদি হাসান মিরাজ সামান্য বেগ দিয়েছিলেন ভারতকে। পাকিস্তানের একমাত্র আবরার আহমেদ বাদে কেউই ভারতের সামনে দাগ কাটতে পারেননি। নিউজিল্যান্ড দলে রয়েছেন মিচেল স্যান্টনার, মাইকেল ব্রেসওয়েল এবং গ্লেন ফিলিপ্সের মতো স্পিনার। তাদের খেলা খুব একটা সহজ হবে না।
অনুশীলনে কোহলি, শ্রেয়স আয়ার এবং অক্ষর পটেলকে আলাদা আলাদা ভাবে মহড়া নিতে দেখা গিয়েছে। যেমন শ্রেয়স এবং অক্ষর যে হেতু চার নম্বরে ব্যাট করেন, তারা শুরু থেকেই স্পিনারদের বিরুদ্ধে চালাতে থাকেন। দুবাইয়ে মাঝের দিকের ওভারগুলিতে স্পিনারদের বিরুদ্ধে খেলা সহজ হচ্ছে না। স্যান্টনারেরা আরও চাপে ফেলতে পারেন। তাই অনুশীলনে রবীন্দ্র জাদেজা এবং বরুণ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আগ্রাসী খেলেন ভারতের দুই ব্যাটার। ওয়াশিংটন সুন্দরও একই কাজ করেন।
কোহলি আবার মহম্মদ শামি, অর্শদীপ সিংহ এবং হর্ষিত রানার মতো পেসারদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী খেলছিলেন। কিন্তু স্পিনারদের সামনে তার খেলার ধরন বদলে যায়। চেষ্টা করছিলেন কব্জির মোচড় এবং কোণ কাজে লাগিয়ে শট মারতে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অনেক খুচরো রান নিয়েছেন তিনি। জাদেজাকে এগিয়ে এসে খেলছিলেন। তবে স্পিনারদের বিরুদ্ধে তার ব্যাটের কানায় লেগে কিছু শট আকাশে উঠে যায়। কিছু আবার কোহলি মিস করেন।
পাকিস্তান ম্যাচে শামিকে হালকা অস্বস্তিতে দেখা গিয়েছিল। বুধবার পুরোদমে তিনি কোহলি, পন্থ, শ্রেয়সকে বল করেছেন। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছেন। দলের সব ক্রিকেটারকেই উৎফুল্ল দেখিয়েছে। অনুশীলনের মাঝে প্রচুর হাসি-মজার মুহূর্ত তৈরি হয়েছে।
একুশে সংবাদ/ এস কে
আপনার মতামত লিখুন :