পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন আকিব জাভেদ। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ছিটকে যেতেই আকিবের বিরুদ্ধেই উঠেছে একাধিক অভিযোগ। তিনি নাকি ক্রিকেটারদের গালাগাল করতেন, অযথা বকাঝকা করতেন। ড্রেসিংরুমের এমন তথ্যই বাইরে আসে, যদিও তা অস্বীকার করছেন পাক কোচ।
পাকিস্তানের ব্যাটারদের খারাপ পারফরমেন্সের জেরে নিউজিল্যান্ড আর ভারতের বিপক্ষে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেছে বাবর আজমরা। প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাওয়ার পর দলে নিজের ভবিষ্যৎও বুঝতে পারছেন কোচ আকিব জাভেদ। তাই তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই অস্বীকার করে বলছেন, ‘আমি ক্রিকেটারদের একদমই বকা দিইনা। আমাদের সংস্কৃতিতে শিক্ষকরা স্কুলে পড়ুয়াকে বকে, মারে কিন্তু আমি সেটায় বিশ্বাস করি না। আমি ক্রিকেটারদের সম্মান করি, তাই আমি ওদের একদমই বকাঝকা দিই না ’।
পাকিস্তানের স্কোরিং রেট সাম্প্রতিক আইসিসি ইভেন্টে একদমই ভালো নয়। সেই নিয়েও আকিব জাভেদ বলছেন, ‘আগে থেকে কোনও টার্গেট মাথার মধ্যে সেট করে নিয়ে গেলে হবে না। টি২০ বিশ্বকাপে যেখানে আমরা ১২০ তুলতে পারছিলাম না, সেখানে ২২০ রানের লক্ষ্য রাখাটা অনেক। সেরকমভাবে আমাদের সামগ্রিক খেলারই উন্নতি করতে হবে, আর তার জন্য ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। ক্রিকেট বোর্ডেরও উচিত একটা পলিসি তৈরি করা দীর্ঘমেয়াদি, নাহলে সাফল্য পাওয়া কঠিন। শুধু ক্রিকেটারদের অন্য দেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে তুলনা করলে হবে না’।
এই নিয়ে টানা তিন আইসিসি ইভেন্টের গ্রুপ স্টেজ থেকেই বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান। তার মধ্যে দুটি প্রতিযোগিতা হয়েছেতাদেরই চেনা এশিয়ার মাটিতে (একটি পাকিস্তানে, একটি ভারতে ওডিআই বিশ্বকাপ)।
সেই নিয়ে আকিব জাভেদ বলছেন, ‘কোনও বাহানা দিয়ে লাভ নেই। আমরাও ম্যাচের আগে আশাবাদী থাকি, কিন্তু যখন দল ভালো খেলে না বা ক্রিকেটাররা পারফর্ম করতে পারে না, তখন অবশ্যই আমরা হতাশ হই।তারাও মানুষ, তাদেরও খারাপ লাগে। দেশের মানুষকে একটাই কথা বলতে চাইব, আমাদের চেষ্টা করতে হবে দলে উন্নতি করার। আর কোনও রাস্তা নেই ’।
একুশে সংবাদ/ এস কে
আপনার মতামত লিখুন :